No icon

নিজেদের উৎপাদিত পণ্যেই খাদ্য চাহিদা মেটাতে হবে

যোদ্ধা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতে উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্যের জন্য কারো কাছে হাত না পেতে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য দিয়েই চাহিদা পূরণ করতে হবে। উৎপাদিত পণ্য সমবায় সমিতির মাধ্যমে বিপণনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৪৮তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০১৯ উদযাপন অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাষের পরে উৎপাদিত ফসলের পণ্য ভাগ হবে তিনভাগে। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি ও সমবায়কে গুরুত্ব দিচ্ছি। এ সময় দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। দেশের গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে থাকে সমবায় বিভাগ। বর্তমানে দেশে প্রায় পৌনে দুই লাখ সমবায় প্রতিষ্ঠানে ৯ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

দেশজুড়ে এক লাখ ৭৫৪ হাজার সমবায় সমিতি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহরের মানুষ যে ধরনের সুবিধা পায় পল্লির মানুষরাও আগামীতে সেসব সুবিধা পাবে। গ্রামে বসেই যেন দেশে বিদেশে ব্যবসা করতে পারে সেই সুবিধা করে দিচ্ছি। নিজ গ্রামে বসে অর্থনৈতিক ভাবে যেন স্বাবলম্বী হয় সেই উদ্দেশ্যে কাজ করছি।

একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আদর্শগ্রাম প্রকল্প হিসেবে গুচ্ছগ্রাম তৈরি করেছিলেন। আমরা আশ্রয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। সেখানে মালিকেরা সমবায় করে মালিকানা ভোগ করবে। কেউ অহেতুক যেন বাড়ি ও জমি বিক্রি করতে না পারে সেই ব্যবস্থাও নিয়েছি। একটি মানুষও যেন গৃহহীন না থাকে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে। নদীভাঙা মানুষ যেন গৃহহারা না হয়ে যায় সেজন্য ১শ’ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ আছে তাদের সহযোগিতার জন্য। আমাদের দেশের মাটি উর্বর, জমি উর্বর, মানুষ কাজের। তাদের কাজে লাগাতে পারলে কষ্ট হয় না। যে কারণে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছে।

সবার স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার সুযোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের বাড়ি আছে, তাদের কোনও জমি হয়তো চাষ হয় না, পুকুর পড়ে থাকে। এর সবটুকুকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে প্রত্যেক বাড়ির মালিকরা যেন নিজেরা উপার্জন করতে পারে সেই লক্ষ্যে আগে ছিল ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প, এখন নাম পরিবর্তন করে দিয়েছি- ‘আমার বাড়ি, আমার খামার’।

এই খামারের পণ্যও সমবায়ের ভিত্তিতে বাজারজাত করা হয়। পণ্য বাজারজাত করতে না পারলে খামারিরা পণ্য উৎপাদনে উৎসাহ হারাবে। সমবায়ের মাধ্যমে বিপনন ব্যবস্থা করে দিতে পারলে প্রতিটি পরিবার লাভবান হবে।
আমাদের চাষ উপযোগী জমি সীমিত কিন্তু গবেষণার মাধ্যমে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে। খাদ্য, তরি-তরকারি, মাংস, মাছ, ডিম সব উৎপাদনেই আমরা অগ্রগামী। সেগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে সমবায়ের ভিত্তিতে করতে হবে। সমবায়ের ভিত্তিতে এসব করলে অপচয় কম হবে, বাজারজাত হবে পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা যাবে। আমরা সারাদেশে ১শ’ অর্থনীতি অঞ্চল করছি। একদিকে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা, আরেকদিকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছি।

জাতির পিতা সমবায়ভিত্তিক দুগ্ধ উৎপাদন নিশ্চিত করতে মিল্কভিটা তৈরি করে দিয়েছেন। আমরা সমবায়ভিত্তিক দুগ্ধ উৎপাদন নিশ্চিত করা প্রকল্প বিস্তৃত করার মাধ্যমে ফরিদপুর খুলনা জেলার দারিদ্র্য হ্রাসের চেষ্টা করা হয়েছে। দুগ্ধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য মহিষের কৃত্রিম প্রজননকেন্দ্র করা হয়েছে। গুঁড়াদুধ বাইরে থেকে কিনতে হতো, সেটা এখন আমরা নিজেরাই উৎপাদন করতে শুরু করেছি। যারা পাহাড়, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, হাওর-বাওড়ের অনগ্রসর সম্প্রদায় তাদের সমবায়ের ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বাজারজাত করাও আমাদের লক্ষ্য।

সমবায় অধিদফতরের কার্যালয় থেকে উপজেলা পর্যন্ত আইসিটির অধীন এনে অনলাইনে বাজারজাতকরণের কাজ হচ্ছে। এসময় বিভিন্ন সেক্টরের সমবায় কাজ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৯৩ ভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যোগাযোগ নিশ্চিত করার ফলে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ছে ও জীবনমান উন্নত হচ্ছে। আমাদের কৃষি জমিতে যেন অধিক ফসল উৎপাদিত হয়, কোনদিন কারও কাছে যেন হাত পাততে না হয় সেজন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জাতির পিতা বলতেন, ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না। এ দেশের মানুষ কারও কাছে হাত পাতবে না। নিজস্ব অর্থায়নে ৯০ ভাগ কাজ করা হচ্ছে। বাজেট সাতগুণ বৃদ্ধি করেছি। এটা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে। ইতোমধ্যে আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। জাতির পিতার নির্দেশনা মেনে সমবায়কে গুরুত্ব দেবো। যাতে অধিক সংখ্যক মানুষ লাভবান হতে পারে। সমবায় ব্যাংক আইনটা সময়োপযোগী করে লাভজনক করে গড়ে তুলতে হবে। সমবায়ের কাজে যারা দক্ষ তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সিলেট : সিলেটে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি সিলেটের ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক এস. এম. তারিকুজ্জামান।

পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ে শোভাযাত্রায় পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মজাহারুল হক প্রধান, জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত স¤্রাট, জেলা সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যরা অংশ নেন।

ভোলা : ভোলার লালমোহনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমির সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় অফিসার মো. ফরিদ আহম্মেদ।

মাদারীপুর : মাদারীপুরে র‌্যালি শেষে এক আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আবৃত্তি সংগঠন মাত্রার সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন লিটনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ওবাইদুর রহমান খান, জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো: হারুনুর রশীদ।

নওগাঁ : নওগাঁয় র‌্যালির উদ্ধোধন, জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর আসনের এমপি ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন। পরে জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম।

নাটোর : নাটোরে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শেষে জেলা সমবায় কর্মকর্তা একেএম নজমুল হুদার সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শাহরিয়াজ পিএএ। আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা পিপিএম-বার।

সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরায় র‌্যালি শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জামান’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) : পঞ্চগড়ের শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান ডাবøু।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শাহজাহান ভুইয়া, সমবায় অফিসার শাহিনা সুলতানা।

বামনা (বরগুনা) : বরগুনার বামনায় র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরি’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুমী খানম, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, দৈনিক ইনকিলাব সংবাদদাতা ও প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. জাকির হোসাইন।

ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) : ভান্ডারিয়ায় র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল আলম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আছমা আক্তার, উপজেলা সমবায় অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আরিফুর রহমান।

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মেজবাউল করিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র রায়।

গফরগাঁও : গফরগাঁও উপজেলায় র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মাহবুব উর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সবুজের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় অফিসার মো. মীর কাসেম।

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : ইন্দুরকানীতে র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদের সভাপতিত্বে ও সমবায় কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. এম মতিউর রহমান।

কালাই (জয়পুরহাট) : জয়পুরহাটের কালাইয়ে শোভাযাত্রা শেষে ইউএনও মো. মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী আফিসার মুনিবুর রহমান সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান এস.এম রাকিবুল আহসান,মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার ।

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) : কমলগঞ্জে পতাকা উত্তোলন এর মাধ্যমে দিবসের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান।

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা: কাউখালীতে র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিয়া মনু।

মধুখালী (ফরিদপুর) : ফরিদপুরের মধুখালীতে র‌্যালি শেষে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলাউদ্দিন মোল্যার সভাপতিত্বে ও সমবায় কর্মকর্তা মো.হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু।

মংলা : র‌্যালি শেষে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল।

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে র‌্যালি শেষে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী।

রাজাপুর ( ঝালকাঠি) : র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, রাজাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়্যারম্যান অধ্যক্ষ মো, মনিরউজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সোহাগ হাওলাদার।

রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে র‌্যালি শেষে নবাগত ইউএনও মোহা.যোবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে সমবায় কর্মকর্তা মো. শাহ্ আলমের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দ্দী বাপ্পি।

রামগড় (খাগড়াছড়ি) : রামগড়ে র‌্যালি, শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সারোয়ার উদ্দিন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কারবারী।

রামগতি (ল⊃2;ীপুর) : ল⊃2;ীপুরের রামগতিতে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আব্দুল মোমিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল।

সখিপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের সখিপুে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের। আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুর রহমান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সখিপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু।

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে র‌্যালির পর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোলেমান আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার।

Comment