No icon

করোনা প্রতিরোধে সৈয়দপুরের ঢেলাপীরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে পরীক্ষামূলক কোরবানির পশু হাটের যাত্রা

যোদ্ধা ডেস্কঃ আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুর ঢেলাপীর হাটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষামূলকভাবে কোরবানির পশু বেচা-বিক্রি শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে সৈয়দপুর শহরের উপকণ্ঠে নীলফামারীর সংগলশী ইউনিয়নে ওই হাটের যাত্রা শুরু হয়।

জানা যায়, প্রায় ১১ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে এই পশুর হাটটি। গরু হাটের চারদিক ঘেরা দেয়া হয়েছে বাঁশ দিয়ে। গ্রাম পুলিশ ১০ জন ও ৪০ জন সেনা সদস্য হাটের পরিবেশ রক্ষায় পরীক্ষামূলকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেনা নিয়ন্ত্রিত ঢেলাপীর হাটের তত্বাবধানে আছেন লে. কর্নেল আরিফ, মেজর এরফান করিম ও লেফটেনেন্ট তানজিম আহমেদ শাকিল। হাটের ইজারাদার মোতালেব হোসেন হক বলেন, কোনভাবেই করোনা রোগ যাতে ছড়াতে না পারে সেনাবাহিনীর সেই নির্দেশনা মেনেই কোরবানির পশুর হাটের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই থেকে কোরবানির পূর্ণ পশুর হাট ঢেলাপীরে শুরু হবে।
লেফটেনেন্ট তানজিম আহমেদ শাকিল জানান, ঢেলাপীর পশুর হাটের চারদিকে স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। পশুর ক্রেতা ও বিক্রেতারা একপথ দিয়ে ঢুকবেন আর অন্যপথ দিয়ে বের হবেন। প্রবেশপথের চেকপোস্টে সেনা সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবেশপথে জীবাণুনাশক দিয়ে হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতাকে স্প্রে করা হচ্ছে। যাদের মুখে মাস্ক নেই তাদের মাস্ক সরবরাহ করা হচ্ছে। তাপমাপক যন্ত্র দিয়ে শরীরের তাপ পরীক্ষা করেই তবে হাটে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাকে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব মেনে কেনাবেচা করতে হবে। কেনাবেচার সুবিধার্থে একেক ধরনের পশুর জন্য এক একটি ব্লক করে দেয়া হয়েছে। গরুর মালিকরা মাস্ক ও গ্লাভস পড়ে ক্রেতার নিকট পশু বিক্রি করবেন। তিনি আরো জানান উত্তরাঞ্চলে যতগুলো বড় পশুরহাট আছে তার মধ্যে এই ঢেলাপীর পশুর হাটটি অন্যতম বড় হাট। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় হাটটিকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। বৃদ্ধি করা হয়েছে হাটের আয়তন। তবে গতকাল মঙ্গলবার থেকে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়েছে। আগামী দিনে পুরো হাটটি সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। এসব কাজ করতে আমরা সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গত দুই সপ্তাহ ধরে কাজ করছি।

Comment