No icon

খালেদা জিয়ার মামলার আদালত কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর

যোদ্ধা ডেস্কঃ কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকোসহ আরো ১৭ মামলার বিচার এখন থেকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনের অস্থায়ী আদালতে অনুষ্ঠিত হবে। কেরানীগঞ্জ কারাগারে নারী কারাগারের পাশেই এ বিশেষ এজলাস করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মামলাগুলো বকশি বাজার আলিয়া মাদ্রাসা ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে চলমান। এখান থেকে মামলাগুলো কেরানীগঞ্জে কারাগারে স্থাপিত আদালতে পাঠাতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গতকাল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনের অস্থায়ী আদালতে মামলাগুলোর বিচাররিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। আদালত সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা রয়েছে।

এর মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগে আছে ৫টি। সেগুলো হলো জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ,নাইকো, গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির মামলা। মামলাগুলো সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে (এক-এগারোর সময়) করা। ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দন্ডিত হয়ে কারাগারে যাওয়ার আট মাসের মাথায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ওই বছরের ২৮শে অক্টোবর সাত বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। খালেদা জিয়া সেই থেকে কারাগারে আছেন।

ওই সাজার রায়ের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেছেন। বর্তমানে বিশেষ এজলাসে ১৭টির মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান আছে। অন্য ২৯টি মামলা ২০১৪ সালের পর বিভিন্ন সময়ে হয়েছে। মূলত রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, ইতিহাস বিকৃতি, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি, ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে এসব মামলা হয়। পুলিশ, সরকারি দলের নেতা-কর্মী ও আইনজীবীরা এসব মামলা করেছেন। এর মধ্যে ২৫টি মামলা হয়েছে ঢাকায়। কুমিল্লায় তিনটি এবং পঞ্চগড় ও নড়াইলে একটি করে মামলা হয়েছে।

Comment