No icon

দিনাজপুরের অন্ধ প্রতিবন্ধি আইবিকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

যোদ্ধা ডেস্কঃ দু চোখে আলো নেই, কিডনী সমস্যার রোগী, প্রতি সপ্তাহে দুইবার করাতে হয় ডাইলেসিস, মৃত্যু যেন দেয় হাতছানী, পবিত্র কোরআন এর যে কোন সুরা মূখস্ত, একাধীক প্রতিভার অধিকারী । এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে না পেলেও  বেঁচে থাকতে চায়, বুকভরে মাকে মা আর বাবাকে বাবা বলে চিৎকার করে ডাকতে চায় অন্ধ মেয়েটি। বেঁচে থাকার জীবন যুদ্ধে বাবাকে প্রশ্ন করে আমি কি সুস্থ্য হবো না বাবা ? দিন মজুর পিতার মুখে কোন উত্তর নেই শুধু দুচোখ বেয়ে অঝোড় ধাড়ায় বইতে থাকে অশ্রুজল । আদরের মেয়েটি অন্ধ হলেও বাবার কষ্ট বুঝতে পারে। যে সময়ে তার দৌড়ে বেড়ানোর কথা, এক বাড়ী থেকে অন্য বাড়ীতে গিয়ে সবাইকে মাতিয়ে রাখার কথা, কিন্তু নিয়তির কি পরিহাস বিধাতা তাকে শুধু অন্ধই করেনি, তার দুইটি কিডনীই প্রায় অকেজো হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রায়েছে। ডাক্তার বলেছেন সপ্তাহে দুইবার ডাইলেসিস করাতে হবে, টাকার অভাবে দিন মজুর পিতার পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, খেয়ে না খেয়ে আদরের সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সপ্তাহে বহু কষ্টে চিকিৎসার অর্থ  জুটিয়ে একবার করানো হচ্ছে ডাইলেসিস। 
এটা কোন গল্প নয়, বলছি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের কোটগাঁও গ্রামের  দিনমজুর আক্তার হোসেনের  কন্যা. মোছাম্মত আইবি আক্তার (১৭) এর বাস্তব জীবন কাহিনী। 
জন্মগত ভাবেই অন্ধ আইবি আক্তার, ঢাকার মিরপুর-১০ নাম্বারে অবস্থিত ব্যেপ্টিস মিশন স্কুলে ১ম শ্রেনী থেকেই লেখাপড়া করছে। বর্তমানে আইবি আক্তার ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। দেশের চলমান বিধিনিষেধ ও লক-ডাউনের কারনে বর্তমানে সে তার নিজ বাড়ী কাহারোলের কোটগাঁও গ্রামে অবস্থান করছেন। ডাক্তার বলেছেন দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারলে আইবি আক্তার সুস্থ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পিতার নুন আনতে পান্তা ফুড়ায় তার পক্ষে এই ব্যায় বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।
১ ছেলে ১ মেয়ে নিয়ে দিনমজুর  আক্তার হোসেনের সংসার। সন্তানদের মধ্যে অন্ধ মেয়েটিই বড়। আইবি আক্তার এর সুচিকিৎসার জন্য দেশের হৃদয়বান মানুষের প্রতি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তার বাবা, আক্তার হোসেন ও মা মোছাম্মত লাভলী আক্তার। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা মোছাম্মত লাভলী আক্তার, বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক সেতাবগঞ্জ শাখায় যার হিসেব নাম্বার-২০৫০৩৪৭০২০০৬৭২৪০  মোঃ আক্তার হোসেন-বিকাশ নাম্বার-০১৭৯৩১৬১৯৩২।

Comment